মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজৈর উপজেলার লখন্ডা গ্রামের ওই ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিল একই এলাকার তামিম মাতুব্বর। বারবার কুপ্রস্তাব ও প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ওই ছাত্রীর ওপর ক্ষিপ্ত ছিল তামিম।
গত কয়েকদিন আগে মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে নির্জন স্থানে ওত পেতে থাকা তামিম ও তার সহযোগীরা ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরিবারের অভিযোগ, একটি অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে সারা রাত তাকে ধর্ষণ করা হয়। পরে ভুক্তভোগীকে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
স্বজনরা ছাত্রীকে উদ্ধার করে প্রথমে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। বর্তমানে সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে এবং ডাক্তারি পরীক্ষা (মেডিকেল টেস্ট) সম্পন্ন হয়েছে।
রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন:
”মামলা দায়েরের পরপরই আমরা অভিযানে নামি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার দিবাগত রাতে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে প্রধান আসামী তামিমকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্যান্য দিকগুলো গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”